Share this link via
Personality Websites!
ইবাদতের স্বাদ কিভাবে পাওয়া যাবে...?
সাধারণত জ্ঞানীদের এই চিন্তাভাবনা থাকে যে, নামায তো পড়ছি, তিলাওয়াতও করছি, যতোটুকু সম্ভব ইবাদত করি কিন্তু ইবাদতের মধ্যে মন বসে না, ইবাদতের স্বাদ পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে সর্বপ্রথম এই বিষয়টি মাথায় রাখুন যে, ইবাদতে মনোযোগী হওয়া, বিনয় ও একাগ্রতা অর্জন করা, ইবাদতের স্বাদ নসীব হওয়া আল্লাহ পাকের অনেক বড় নেয়ামত, অবশ্য এই নেয়ামত যদি নাও মিলে, তারপরও ইবাদত অব্যাহত রাখা উচিত, অনেকে ইবাদতের স্বাদ না পাওয়ার কারণে ইবাদত করাই ছেড়ে দিয়ে থাকে। এরকম লোকদের বুঝাতে গিয়ে আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ বলেন: (ইবাদতে) মন স্থির থাকুক বা না থাকুক, তুমি করতে থাকো।
সুতরাং ইবাদতের স্বাদ যদি নাও পাও, মনও যদি না বসে, তারপরও ইবাদত করতে থাকা উচিত, আল্লাহ পাক চাই তো একদিন না একদিন ইবাদতের স্বাদ পাওয়ার নেয়ামত মিলে যাবে।
ইবাদতের স্বাদ পরিশ্রমের মাধ্যমে পেয়ে থাকে
মনে রাখবেন! আমাদের নফস সাধারণত ইবাদতে অভ্যস্ত হয় না, এজন্য শুরুতে তার জন্য ইবাদতে কঠিন হয়ে থাকে, ইবাদতে মন বসে না, বিরক্ত লাগে, মন দুনিয়াবী কাজে লেগে থাকে, এই অবস্থায় উচিত বান্দা নফসের উপর বোঝা তুলে দিয়ে ইবাদত করতে থাকা, اِنْ شَآءَالله এমন একটা দিন আসবে যে, নফস ইবাদতে অভ্যস্ত হয়ে যাবে এবং অন্তরে ইবাদতের স্বাদ সৃষ্টি হয়ে যাবে। আল্লাহ পাক কুরআনে করীমে ইরশাদ করেন:
مَنۡ عَمِلَ صَالِحًا مِّنۡ ذَکَرٍ اَوۡ اُنۡثٰی وَ ہُوَ مُؤۡمِنٌ فَلَنُحۡیِیَنَّہٗ حَیٰوۃً طَیِّبَۃً
(পারা ১৪, সূরা নাহল, আয়াত: ৯৭)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: যে সৎকর্ম করে পুরুষ হোক কিংবা নারী এবং সে মুসলমান হয়, তবে অবশ্যই তাকে উত্তম জীবনে জীবিত রাখবো।
এই আয়াতে বলা হয়েছে: যে মুসলমান পুরুষ বা মহিলা নেক আমল করে, আল্লাহ পাক তাকে উত্তম পবিত্র জীবন দান করবেন। তাফসীরে খাযিনে রয়েছে: এক বর্ণনা অনুযায়ী উত্তম জীবন দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ইবাদতের স্বাদ । (তাফসীরে খাযিন, পারা: ১৪, সূরা নাহল,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami