Share this link via
Personality Websites!
নবীয়ে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর চাচাত ভাই (মিরাতুল মানাজিহ, ৮/৪১২) * মুসলমানদের তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান গণি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর শাহাদাতের পর আনসার ও মুহাজিরগণ হযরত মাওলা আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর বাইয়াত গ্রহণ করেন (তারিখুল খুলাফা, ১১১ পৃষ্ঠা) এভাবে তিনি আমীরুল মু’মিনিন ও খলিফাতুল মুসলিমিন মনোনীত হলেন * হযরত মাওলা আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ৪ বছর, ৮ মাস, ৯ দিন খেলাফতের দায়িত্ব পালন করার পর ২১শে রমযান মোবারকে দুনিয়া থেকে বিদায় নেন।
(মা’রিফাতুল সাহাবা, ১/১০০)
হযরত আলীর ভালবাসা গুনাহ মোছন করে দেয়
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! মুসলমানদের চতুর্থ খলিফা আমীরুল মু’মিনিন মাওলা আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর মর্যাদা এতই যে, সেগুলো গণনা করা যাবে না। প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: حُبُّ عَلِیٍّ یَاْکُلُ الذُّنُوْبَ کَمَا تَاْکُلُ النَّارُ الْحَطَبَ অর্থাৎ আলীর ভালবাসা গুনাহসমূহকে এমনভাবে গ্রাস করে যেমন আগুণ লাকড়িকে জ্বালিয়ে দেয়। (রিয়াদুন নাদরা, ১৬৪ পৃষ্ঠা)
কারামত দেখে পাদ্রী কলেমা পড়ে নিলো
সিফফিনের স্থান দিয়ে যাওয়ার সময় হযরত মাওলা আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর সৈন্য এমন ময়দান দিয়ে অতিত্রুম করলো, যেখানে পানি ছিল না, সকল সৈন্যরা পিপাসায় কাতর হয়ে গেছে, সেখানে একটি গীর্জা ছিলো, সেটার পাদ্রী বলল এখান থেকে দুই ফরসাখ (অর্থাৎ প্রায় ১৪ কিলোমিটার) দূরে পানি পাওয়া যেতে পারে। এমন সময় হযরত মাওলা আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ খচ্ছরে আরোহন করলেন আর এক স্থানে যমিন খনন করার নির্দেশ দিলেন। খনন শুরু হলো, একটি পাথর প্রকাশ পেলো, সেটা বের করতে সকলের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলো, এটা দেখে মাওলা মুশকিল কোশা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ আরোহন থেকে নেমে গেলেন এবং উভয় হাতের আঙ্গুল ঐ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami