Share this link via
Personality Websites!
মাখাটা খাদিমের কাজ ছিলো কিন্তু হযরত সালমান ফারসি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ খাদিমকে অন্য কোন কাজে পাঠিয়েছিলেন তাই তার দায়িত্বের কাজটি স্বয়ং নিজে করতে লাগলেন যাতে খাদিমের দুইবার পরিশ্রম না হয়। سُبْحٰنَ الله!
হযরত আবু কলাবা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: ঐ আগন্তুক ব্যক্তি বলল: অমুক আপনাকে সালাম জানিয়েছে। হযরত সালমান ফারসি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ (সালামের উত্তর দেয়ার পর) বললেন: তুমি তার কাছ থেকে কখন এসেছ? বলল: আমি অমুক সময় এসেছিলাম। বললেন: যদি তুমি তাঁর সালামটি পৌঁছিয়ে না দিতে তাহলে খিয়ানতকারী হয়ে যেতে।
(যুহদ ইমাম আহমদ বিন হাম্বল, ১৭৭ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৮৪১।)
সালাম পৌঁছানো ওয়াজিব
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আমাদের ঘরে اَلْحَمْدُ لِلّٰه! এখনো পর্যন্ত এই প্রচলনটি চালু রয়েছে যে, যখন কোন মেহমান তার ঘরে ফিরে যেতো তখন বলতো: সকলকে আমাদের সালাম বলবেন। এটি অনেক ভালো অভ্যাস, তবে এক্ষেত্রে একটি মাসআলা মনে রাখবেন! বাহারে শরীয়াত, ১৬তম খন্ড, ১০৬ পৃষ্ঠায় রয়েছে: কাউকে বলে দিলো যে, অমুককে আমার সালাম বলিও, তার উপর সালাম পৌঁছিয়ে দেয়া ওয়াজিব আর যখন সে সালাম পৌঁছিয়ে দিলো সম্মুখস্ত ব্যক্তির উপর এভাবে উত্তর দিবে: عَلَیْکَ وَعَلَیْہِ السَّلَام।
বাহারে শরীয়াতে রয়েছে: এই সালাম পৌঁছানো তখন ওয়াজিব, যখন সে বলে দিলো: আচ্ছা, আমি তোমার সালাম পৌঁছিয়ে দিবো, এক্ষেত্রে তার কাছে সালাম পৌঁছানোটা আমানত, যে এটার হকদার (অর্থাৎ যার নামে সালাম দিয়েছে) তাকে দিতেই হবে। সাধারণত হাজীদেরকে লোকেরা এটা বলে দেয় যে,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami