Share this link via
Personality Websites!
হে আশিকানে রাসূল! আপনারা শুনলেন তো! ইমাম শাফেয়ী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর কি সুন্দর চরিত্র ছিলো, এই ঘটনাতে একটি বিষয় বড় আশ্চর্যজনক, দেখুন দর্জি জামার একটি আস্তিন ছোট বানিয়েছে আর আর আরেকটি আস্তিন জেনে বুঝে অনেক লম্বা বানিয়েছে, দর্জিতো উপহাস করেছে কিন্তু ইমাম শাফেয়ী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ পারদর্শীতার প্রতি শত কোটি মারহাবা! তিনি তা থেকে ভালো দিক বের করে নিলেন ও দর্জিকে কল্যাণের দোয়া দ্বারা ধন্য করলেন।
আজ-কাল এটা অনেক কঠিন কাজ, উত্তম দিক তালাশ করাতো অনেক দূরের কথা আমাদের এখানে লোকেরা ভালো দিকটাও মন্দ দিক তালাশ করার চেষ্টা করে। আমাদের বুযুর্গানে দ্বীন আল্লাহ পাকের নেক বান্দাগণ কেমন মহান লোক ছিলেন যে, তাঁরা মন্দ কাজেও ভালো দিক তালাশ করতেন।
হযরত রাবেয়া বসরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا এর ঘটনা
হযরত সুফিয়ান ছাওরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا থেকে বর্ণিত: বসরাতে এক ব্যক্তিকে ব্যভিচারের শাস্তিতে শূলিতি ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে, হযরত রাবেয়া বসরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا তার পাশ দিয়ে গমন করলেন তখন বললেন: এটা সেই জিহ্বা, যা দ্বারা তুমি لَا اِلَہَ اِلَّا الله পড়তে। (তবকাতুস সওফিয়া, ৩৮০ পৃষ্ঠা)
হে আশিকানে রাসূল! আপনারা শুনলেন তো! একজন ব্যক্তি যাকে কবিরা গুনাহের শাস্তিতে ফাঁসি দেয়া হয়েছিলো, হযরত রাবেয়া বসরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا তার মন্দ আলোচনা করেনি বরং তার ব্যাপারে উত্তম দিক তালাশ করে তার উত্তম আলোচনা করেছেন। হায়! আমরাও ইতিবাচক চিন্তা ভাবনা করার, ভালো দেখার, ভালো শুনার ও ভালো বলার অভ্যাস হতো যে, মন্দ জিহ্বা মন্দ অন্তর প্রতিফলিত করে।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami