Share this link via
Personality Websites!
اَلْحَمْدُ لِلّٰہِ رَبِّ الْعٰلَمِیْنَ وَ الصَّلٰوۃُ وَالسَّلَامُ عَلٰی سَیِّدِ الْمُرْسَلِیْنَ ط
اَمَّا بَعْدُ فَاَعُوْذُ بِاللّٰہِ مِنَ الشَّیْطٰنِ الرَّجِیْمِ ط بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّ حِیْم ط
اَلصَّلٰوۃُ وَ السَّلَامُ عَلَیْكَ یَا رَسُولَ اللہ وَعَلٰی اٰلِكَ وَ اَصْحٰبِكَ یَا حَبِیْبَ اللہ
اَلصَّلٰوۃُ وَ السَّلَامُ عَلَیْكَ یَا نَبِیَّ اللہ وَعَلٰی اٰلِكَ وَ اَصْحٰبِكَ یَا نُوْرَ اللہ
نَـوَیْتُ سُنَّتَ الاعْتِکَاف
(অর্থাৎ আমি সুন্নাত ইতিকাফের নিয়্যত করলাম।)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! যখনই মসজিদে প্রবেশ করবেন, মনে করে নফল ইতিকাফের নিয়্যত করে নিন। কেননা, যতক্ষণ মসজিদে থাকবেন, নফল ইতিকাফের সাওয়াব অর্জিত হতে থাকবে এবং সাধারনভাবে মসজিদে খাওয়া-দাওয়াও জায়িয হয়ে যাবে। ইতিকাফের নিয়্যতও শুধুমাত্র খাওয়া দাওয়া বা ঘুমানোর জন্য যেনো না হয় বরং এর উদ্দেশ্য যেনো আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি জন্যই হয়। ফতোওয়ায়ে শামীতে বর্ণিত রয়েছে: যদি কেউ মসজিদে খাওয়া দাওয়া বা ঘুমাতে চায় তবে ইতিকাফের নিয়্যত করে নিন, কিছুক্ষণ আল্লাহ পাকের যিকির করুন অতঃপর যা ইচ্ছা করুন (অর্থাৎ এবার চাইলে খাওয়া দাওয়া বা ঘুমাতে পারেন)।
নবী করীম, রউফুর রহীম, হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: مَنْ صَلّٰى عَلَىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ عَشْرًا بِهَا مَلَكٌ مُوَكَّلٌ بِهَا حَتّٰى يُبَلِّغَنِيْهَا অর্থাৎ যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ শরীফ পাঠ করে, আল্লাহ পাক তার উপর দশটি রহমত অবতীর্ণ করে আর একটি ফেরেশতা সেই দরূদকে আমার নিকট পর্যন্ত পৌছানোর জন্য নিযুক্ত রয়েছে। (মুজামু কাবির, ৮/১৩৪, নং: ৭৬১১)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: اَفْضَلُ الْعَمَلِ اَلنِّيَّۃُ الصَّادِقَۃُ অর্থাৎ সত্য নিয়্যত সবচেয়ে উত্তম আমল। (জামে
সগীর, ৮১
পৃষ্ঠা, হাদীস
১২৮৪) হে আশিকানে রাসূল! প্রতিটি
কাজের পূর্বে ভালো
ভালো নিয়্যত করার
অভ্যাস গড়ুন, কেননা
ভালো নিয়্যত বান্দাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেয়। বয়ান শুনার পূর্বেও ভালো ভালো
নিয়্যত করে নিন! যেমন; নিয়্যত
করুন!
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami