Share this link via
Personality Websites!
416273
6583
প্রস্রাব ও পায়খানাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে যায়, যার কারণে সাধারণত সন্তানরা বিরক্ত হয়ে যায়, কিন্তু মনে রাখবেন! এমতাবস্থায়ও পিতামাতার সেবা করা আবশ্যক। শিশুকালে মাও তো সন্তানের ময়লা আবর্জনা সহ্য করতো। সুতরাং বার্ধক্য এবং অসুস্থতার কারণে পিতামাতার স্বভাব যতই খিটখিটে হয়ে যাক না কেন, অযথা বকবক করুক না কেন, চাই যতই ঝগড়া এবং পেরেশানি করুক না কেন, ধৈর্য ধৈর্য এবং ধৈর্যই ধারন করতে হবে এবং তাদের সম্মান বজায় রাখা আবশ্যক। জি হ্যাঁ! এটিই হলো পরীক্ষা, পিতামাতার সাথে অসদাচরন করা এবং তাদের ধমক দেয়া ইত্যাদি তো দূরের কথা তাদের সামনে “উফ” পর্যন্ত করা উচিৎ নয়, নয়তো সফলতা হাত থেকে বের হয়ে যেতে পারে এবং উভয় জগতের ধ্বংস কারণ হয়ে যেতে পারে, কেননা পিতামাতার মনে কষ্ট প্রদানকারী এই দুনিয়ায়ও অপমানিত ও অপদস্থ হয় এবং আখিরাতে আযাবেরও অধিকারী হয়।
হযরত ইমাম আহমদ বিন হাজর মক্কী শাফেয়ী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ উদ্ধৃত করেন: নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর শিক্ষনীয় ইরশাদ হচ্ছে: মেরাজের রাতে আমি কিছু লোক দেখেছি, যারা আগুনের ডালে ঝুলে ছিলো, তখন আমি জিজ্ঞাসা করলাম: হে জিব্রাঈল! এরা কারা? আরয করলেন: এরা হলো ঐ সকল ব্যক্তি, যারা দুনিয়ায় তাদের পিতা ও মাতাকে মন্দ বলতো। (আয যাওয়াজির, ২/১৩৯)
বর্ণিত আছে: যখন পিতামাতার অবাধ্যকে দাফন করা হয়, তখন কবর তাকে চাপ দেয়, এমনকি তার হাঁড়গোড় (ভেঙ্গে চুরে) একে অপরের ভেতর ঢুকে যায়। (জাহান্নাম মে লে জানে ওয়ালা আ’মাল, ২/২৬৫)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! পিতামাতার মর্যাদা এবং তাদের শান ও মহত্ব কিরূপ উচ্চ ও মহান, এর অনুমান এই বিষয়টি থেকে করুন যে, আল্লাহ পাক কুরআনে পাকে যেখানে তাঁর ইবাদতের আদেশ ইরশাদ করেছেন সেখানেই পিতামাতার সাথে সদাচরণ এবং দয়া করার আদেশও ইরশাদ করেছেন, যেমেনটি
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami