Share this link via
Personality Websites!
তাই ঈদের নামাযের পূর্বে শহরে কুরবানী হবে না। (বাহারে শরীয়াত, ৩য় অধ্যায়, ১৫/৩৩৭) কিন্তু যেহেতু হযরত আবু বুরদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ঈদের নামাযের পূর্বেই কুরবানী করে নিয়ে ছিলেন, তাই হুযুর নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাঁকে অন্য পশু কুরবানী করার আদেশ দিলেন। তাঁর কাছে যেহেতু এখন শুধু ছয় (৬) মাসের ছাগলের বাচ্চাই ছিল। অথচ কুরবানীর জন্য ছাগল এবং ছাগীর বয়স ১ বছর হওয়া আবশ্যক। যেমন- সদরুশ শরীয়া, হযরত আল্লামা মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ আমজাদ আলী আযমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: কুরবানীর পশুর বয়স এমন হওয়া উচিত উট পাঁচ বছর, ছাগল এক বছর, এর চেয়ে বয়স কম হলে কুরবানী জায়িয হবেনা, বেশি হলে জায়িয বরং উত্তম। হ্যাঁ! দুম্বা বা ভেড়ার ছয় মাসের বাচ্চা যদি এত বড় দেখায় যে, দূর থেকে দেখলে এক বছরের মনে হয়, তবে তা দিয়ে কুরবানী জায়িয। (বাহারে শরীয়াত, ৩য় অংশ, ১৫/৩৪০) যেহেতু হযরত আবু বুরদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর কাছে শুধু মাত্র ছয় মাসের ছাগলের বাচ্চা ছিল, যা দিয়ে কুরবানী হতে পারে না। কিন্তু যখন তিনি তার এই সমস্যার কথা হুযুর পুরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে আরয করলেন, তখন হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم শুধুমাত্র তাঁকেই ছয় মাসের ছাগলের বাচ্চা কুরবানী করার অনুমতি দিয়ে ইরশাদ করলেন: “তোমার পর আর কারো জন্য ছয় মাসের ছাগলের বাচ্চা যথেষ্ট হবেনা।
দো জাহাঁ কে তাজদার, আহলান ওয়া সাহলান মারহাবা,
সরওয়ারে বা এখতেয়ার, আহলান ওয়া সাহলান মারহাবা,
মালিক ও মুখতারে মা, আহলান ওয়া সাহলান মারহাবা,
হামী হার বে নাওয়া, আহলান ওয়া সাহলান মারহাবা।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami