Share this link via
Personality Websites!
وَ لِمَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّہٖ جَنَّتٰنِ (ۚ۴۶)
(পারা: ২৭, সূরা: রহমান, আয়াত: ৪৬)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: আর যে ব্যক্তি আপন রবের সম্মুখে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করে তার জন্য দু’টি জান্নাত রয়েছে।
তখন কবরের ভেতর থেকে সেই যুবক উচ্চ আওয়াজে বললেন: হে আমীরুল মুমিনীন! নিশ্চয় আমার পালনকর্তা আমাকে দুইটি জান্নাত দান করেছেন। (শরহুস সুদূর, ২১৩ পৃষ্ঠা)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন তো! আল্লাহ ওয়ালাদের যুবকাবস্থায়ও ইবাদত করা ও অশ্লীলতা থেকে বাঁচার কিরূপ মনমানসিকতা ছিলো যে, যুবকাবস্থায় অধিকাংশ সময় আল্লাহ পাকের ইবাদত ও পিতা-মাতার সেবায় অতিবাহিত করতেন, এই মহান ব্যক্তিরা শয়তানের কৌশল সম্পর্কে সর্বদা সতর্ক থাকতেন। আর এই কারণেই গুনাহের সামর্থ থাকা সত্ত্বেও নিজের দৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখতেন আর নিজের পবিত্র সত্তাকে অশ্লীল কাজ দ্বারা মলিন করা থেকে বাঁচিয়ে রাখতেন। মনে রাখবেন! শয়তান মুসলমানদের চরম শত্রু, তার পুরোদমে চেষ্টা থাকে, যেকোন ভাবেই মুসলমান নেককার লোকদের পথ থেকে সরিয়ে অন্যায় ও পাপের পথে পরিচালিত করা, যাতে সমাজ থেকে লজ্জার অস্থিত্ব বিলীন হয়ে যায় আর নির্লজ্জতা ও অশ্লীলতা সবত্র ছড়িয়ে পড়ে।
সুতরাং বুদ্ধিমানদের উচিৎ, সেই লজ্জাশীলতার অগ্রদূত অর্থাৎ পুর্ববর্তী বুযুর্গগণের رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِم اَجْمَعِیْن এই আঁচলকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরা এবং অভিশপ্ত শয়তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত রাখা আর কখনোই শয়তানের প্ররোচনায় কর্ণপাত না করা।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami