Share this link via
Personality Websites!
দিকেই বেশি ধাবিত থাকে, বৃদ্ধ বয়সে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুবই দূর্বল হয়ে যায়, রোগ বালাই এসে ভর করে, গুনাহের দিকে কম ধাবিত হয় এবং ইবাদতের দিকে আগ্রহ বেড়ে যায়, আর যৌবনকাল সেই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থা, যখন মানুষের প্রবৃত্তির চাহিদার প্রভাব বেশি হয়ে থাকে, কেননা জীবনের এই অংশে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ থাকে, আর যৌবনের উন্মত্ততায় মত্ত হয়ে নিজের জীবনের লক্ষ্যকে ভুলে যায় আর জীবনের এই মূল্যবান সময়কে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির কাজে অতিবাহিত করার পরিবর্তে অশ্লীল কাজে নষ্ট করে দেয়। সুতরাং যুবসমাজকে অশ্লীলতার ধ্বংসলীলা থেকে বাচাঁনোর জন্য বুযুর্গানে দ্বীনগণের رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِم উদাহরণীয় জীবন এক আইডিয়াল (আদর্শ) স্বরূপ। এই নেক ব্যক্তিদেরও নফস ও শয়তান লাখো মন্দ কাজে প্ররোচনা দিতো কিন্তু এই পবিত্র সত্তারা ভরা যৌবনেও লজ্জাশীলতার আচঁল শক্তভাবে আকড়ে ধরতেন আর এর প্রতিদান স্বরূপ আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে দান ও দয়ার উপযোগী সাব্যস্ত হতেন। আসুন! এমনি এক লজ্জাশীল যুবকের ঈমান সতেজকারী ঘটনা শ্রবণ করি।
নিশ্চয় আমাকে দু’টি জান্নাত দান করা হয়েছে
আমীরুল মুমীনিন হযরত ওমর ফারূকে আযম رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর মোবারক যুগে এক যুবক অত্যন্ত মুত্তাকী, পরহেযগার ও ইবাদতগুযার ছিলেন। হযরত ওমর ফারুকে আযম رَضِیَ اللهُ عَنْہُ নিজেও তাঁর ইবাদত দেখে হতবাক হতেন। যুবকটি ইশার নামায মসজিদে আদায় করার পর নিজের বৃদ্ধ পিতার সেবা করার জন্য যেতেন। রাস্তায় এক সুন্দরী নারী তাঁকে ডাকতো। কিন্তু যুবকটি সেদিকে ভ্রূক্ষেপ না করেই দৃষ্টিকে নিচের দিকে করে চলে যেতেন। অবশেষে একদিন সেই যুবক শয়তানের প্ররোচনা এবং সেই মহিলার ডাকে মন্দ উদ্দেশ্য নিয়ে তার দিকে অগ্রসর হলেন। কিন্তু তিনি যখনই দরজায় গিয়ে পৌঁছলেন, তখন আল্লাহ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami