Share this link via
Personality Websites!
বুযুর্গানে দ্বীনদের জীবনী অধ্যয়ন করুন:
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! লজ্জাশীলতা সৃষ্টি করার একটি পদ্ধতি হলো; বুযুর্গানে দ্বীনগণের رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِمْ اَجْمَعِیْن ঘটনাসমূহ ও তাঁদের জীবনী অধ্যয়ন করা, অনেক সময় আল্লাহ ওয়ালাদের জীবনী ও চরিত্রে উদ্ভুদ্ধ হয়ে বেহায়াপনা ও গুনাহের কাজকে ঘৃণা, নেককাজের দিকে ধাবিত এবং তাঁদের মতো হওয়ার আগ্রহ সৃষ্টি হবে। সাহাবীয়ে রাসূল হযরত সালমান ফারেসী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর লজ্জাশীলতা সম্পর্কীত তাঁরই বর্ণনা শ্রবণ করুন, যেমন; তিনি বলেন: “আমি মৃতুবরণ করার পর জীবিত হবো, অতঃপর মৃতুবরণ করার পর জীবিত হবো, অতঃপর মৃতুবরণ করার পর জীবিত হবো, তবুও আমার কাছে এটা তার চেয়ে উত্তম যে, কারো লজ্জাস্থান দেখবো বা কেউ আমার লজ্জাস্থান দেখবে। (তান্বিহুল গাফিলিন, ২৫৮ পৃষ্ঠা)
উত্তম সঙ্গ অবলম্বন করো!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! লজ্জাশীলতার উন্নতিতে পরিবেশ ও শিক্ষারও বড় একটি প্রভাব রয়েছে। লজ্জাময় পরিবেশ সহজলভ্য হলে লজ্জা খুবই প্রস্ফুটিত হয়ে উঠে, পক্ষান্তরে বেহায়া লোকের সংস্পর্শে কলব (অন্তর) ও দৃষ্টির পবিত্রতা কেঁড়ে নিয়ে নির্লজ্জ করে দেয় আর মানুষ অসংখ্য অনৈতিক ও নাজায়িয কাজে লিপ্ত হয়ে যায়। প্রত্যেক মুসলমানের উচিৎ, আল্লাহ পাকের নেক বান্দাদের সংস্পর্শ গ্রহণ করা আর কারো সঙ্গ গ্রহণ করার পূর্বে গভীরভাবে ভেবে দেখা যে, সে কার সংস্পর্শ গ্রহণ করছে, কেননা দ্বীনদার বন্ধু খোঁজার উৎসাহ দিতে গিয়ে আমীরুল মুমিনীন হযরত ওমর ফারুক رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: “প্রকৃত বন্ধু খোঁজ ও তাদের সংস্পর্শে জীবন অতিবাহিত করো, কেননা তারা খুশির সময় সৌন্দর্য ও কষ্টের সময় সম্বল স্বরূপ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami