Share this link via
Personality Websites!
অতঃপর এই কামভাব কুদৃষ্টি দানকারীকে ফিতনায় ফেলে দেয়। (মিনহাজুল আবেদীন, প্রথম অধ্যায়, ৬২ পৃষ্ঠা)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন তো! হাদীসে মোবারাকায় কুদৃষ্টির নিন্দা কিভাবে বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং যে ব্যক্তি এই বদ অভ্যাসে লিপ্ত তার উচিৎ, এই বদ অভ্যাস থেকে তাওবা করা এবং এর থেকে বাঁচার চেষ্টাও করা, নয়তো মনে রাখবেন! কুদৃষ্টি মানুষকে অধঃপতনের অতল গহ্বরে নিক্ষেপ করে দেয়, এর কারণে বান্দা না শুধু আল্লাহ পাকের অসন্তুষ্টি অর্জন করে বরং সর্বদা তার হৃদয় ও মস্তিস্কে শয়তান আরোহন হয়ে থাকে, উদ্ভট অশান্তি এবং কামভাব ও বিভিন্ন খারাপ খেয়াল প্রাধান্য বিস্তার করে, আর বান্দা নফসের প্রশান্তির জন্য আরো ভয়াবহ গুনাহ করে বসে। আসুন! বুযুর্গানে দ্বীন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِمْ اَجْمَعِیْن এর লজ্জা ও দৃষ্টির হিফাযতের আরো ঘটনা শ্রবণ করি।
বর্ণিত আছে: হযরত আসওয়াদ বিন কুলসুম رَحْمَۃُ
اللهِ عَلَیْہِ খুবই লজ্জাশীল ও পূণ্যাত্মা যুবক ছিলেন। চলার সময় তাঁর দৃষ্টি সর্বদা এমনভাবে ঝুঁকে থাকতো যে, পাশদিয়ে চলাচল কারীদেরও দেখতেন না। তখনকার সময় ঘরের দেওয়াল এতটা উঁচু হতো না। একবার তিনি
رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ঘরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন এক মহিলা অপর মহিলাকে বললো: তাড়াতাড়ি ঘরের ভেতর চলে যাও, এক যুবক আসছে। একথা শুনে অন্য মহিলা বললো: আরে! ইনি তো হযরত আসওয়াদ বিন কুলসুম رَحْمَۃُ
اللهِ عَلَیْہِ তাঁর দৃষ্টি তো মাটি থেকে উঠেই না, অতএব তিনি কোন পরনারীর প্রতি দৃষ্টি কিভাবে দিবেন। (উয়ুনূল হিকায়াত, ৩২৯ পৃষ্ঠা)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami