Share this link via
Personality Websites!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! সমাজের অবনতি ও উন্নতির মধ্যে নারীর এক বড় ভূমিকা রয়েছে, যেমন; যদি নারী নেককার, পরহেযগার ও লজ্জাবতী হয় তবেই এই গুনাবলী তার বংশধরদের মাঝেও পরিবর্তিত হয়ে আসবে। সুতরাং নারীদের উচিৎ, যেন নাজায়িয ফ্যাশন করা এবং নির্লজ্জতাপূর্ণ স্থানের সৌন্দর্য্য বর্ধণ না করে উম্মাহাতুল মুমিনীন ও প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর শাহাজাদী, বিশেষ করে শাহজাদীয়ে কওনাইন, খাতুনে জান্নাত رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর পবিত্র আচার ও আচরণ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে পর্দার মধ্যে থাকাকে নিজের অভ্যাসে পরিণত করা, কেননা এঁরা সেই পবিত্রতম নারী সত্তা, যাদের মধ্যে প্রিয় নবী, হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সংস্পর্শের কারণে লজ্জাশীলতার মূল জিনিস ব্যাপক হারে বিদ্যমান ছিলো। বিশেষত হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রিয় শাহাজাদী খাতুনে জান্নাত رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর লজ্জার অবস্থা তো দেখার মতো ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত। আসুন! তাঁর অতুলনীয় লজ্জাশীলতা সম্পর্কীত একটি ঈমান সতেজকারী ঘটনা শ্রবণ করি।
খাতুনে জান্নাতের পর্দা
সুলতানে মদীনা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর জাহেরী (প্রকাশ্য) ওফাতের পর খাতুনে জান্নাত, শাহাজাদীয়ে কওনাইন, হযরত ফাতেমাতুয যাহারা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর প্রিয় নবীর বিরহ এমনভাবে পেয়ে বসেছিলো যে, তাঁর ঠোঁটে মুচকি হাসি পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো! তাঁর ওফাতের পূর্বে শুধুমাত্র একবারই মুচকি হাসতে দেখা গিয়েছিলো। এই ঘটনাটা কিছুটা এরূপ, হযরত খাতুনে জান্নাত رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর এই উদ্বেগ ছিলো যে, আমি তো সারা জীবন পর-পুরুষের দৃষ্টি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছি, এখন যদি মৃত্যুর পর আমার কাফন পরিহিত লাশে মানুষের দৃষ্টি পড়ে যায়! একদা হযরত আসমা বিনতে উমাইস رَضِیَ اللهُ عَنْہَا বলেন: আমি হাবশায়
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami