Share this link via
Personality Websites!
যে, কল্যাণের দিকে আহবানকারী, মসজিদ থেকে ৫ বার আসা ডাক কি আমার কানে লেগে ফিরে যায় নাকি সকল কাজকর্ম ছেড়ে মসজিদের পথ ধরি? আফসোস যে, আমরা কবরের আযাব, জাহান্নামের ভয়াবহতা এবং কিয়ামতের আতঙ্কের কথা শুনেও উদাসীনতার নিদ্রায় নিমগ্ন রয়েছি। আল্লাহ পাক আমাদেরকে এই উদাসীনতা থেকে সত্যিকার জাগরণ নসীব করুক। اٰمِين بِجا هِ النَّبِىِّ الْاَمين صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
হে আশিকানে রাসুল! মনে রাখবেন! প্রত্যেক জ্ঞান সম্পন্ন ও প্রাপ্ত বয়স্ক নারী ও পুরুষ মুসলমানের উপর প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামায ফরয, যে নামাযকে ফরয মানে না সে দ্বীন ইসলামের বহির্ভূত, যদিও তার নাম এবং তার অন্যান্য কাজকর্ম মুসলমানদের মতোই হোক না কেন। আর নামাযকে ফরয হিসেবে মানে কিন্তু এক ওয়াক্ত নামাযও জেনে শুনে বর্জন করে তবে সে কঠোর ফাসিক ও গুনাহগার এবং দোযখের আযাবের অধিকারী। আলা হযরত, ইমামে আহলে সুন্নাত মাওলানা শাহ ইমাম আহমদ রযা খাঁন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: যে ব্যক্তি জেনে শুনে এক ওয়াক্ত নামায বর্জন করলো, সে হাজারো বছর দোযখে থাকার অধিকারী হয়ে গেলো, যতক্ষণ পর্যন্ত তাওবা করবে না এবং এর কাযা আদায় করে না দেয়। (ফতোয়ায়ে রযবীয়া, ৯/১৫৮) এ থেকে অনুমান করুন যে, যেখানে এক ওয়াক্ত নামায জেনে শুনে বর্জন করার কারণে হাজারো বছর পর্যন্ত দোযখে থাকতে হবে তবে যে ব্যক্তি দিনভর সকল নামায জেনে শুনে বর্জন করলো বরং প্রথম থেকেই নামায পড়ছে না তবে সে কিরূপ কঠিন আযাবের শিকার হবে।
হে আশিকানে রাসূল! মনে রাখবেন! জেনে শুনে নামায বর্জনকারী থেকে তো স্বয়ং শয়তানই আশ্রয় প্রার্থনা করে।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami