Share this link via
Personality Websites!
হে রাবেয়া! আমি তাকে তোমার কারণেই কবুল করেছি এবং তোমার কারণেই আমার নৈকট্য দান করেছি। (রওযুল ফায়েক, ১৫৯ পৃষ্ঠা)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
হে আশিকানে রাসুল! শুনলেন তো আপনারা! নামায কিরূপ পছন্দনীয় ইবাদত যে, এক চোর চুরি করার জন্য আসলো এবং আল্লাহ পাকের নেক বান্দিনী হযরত রাবেয়া বসরীয়া رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا ’র বলাতে নামাযের জন্য দাঁিড়য়ে গেলে তখন নামাযের স্বাদ ও মিষ্টতায় এমনভাবে বিলীন হয়ে গেলো যে, সারা রাত নামাযেই লিপ্ত রইলো এবং সকালে নিজের গুনাহ থেকে তাওবা করে সঠিক পথের দিশা পেয়ে গেলো।
আফসোস! আমাদের সমাজে একটি দল এমনও আছে যে, যারা নামায পড়ার পরও হারাম ও নাজায়িয কাজ থেকে বাঁচতে পারে না। কিন্তু এমন কেন?
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! হতে পারে যে, আমরা নামাযের প্রকাশ্য এবং গোপনীয় সুন্নাত ও আদবসমূহ সঠিক ভাবে লক্ষ্য রাখি না, যার কারণে এখনো পর্যন্ত বরকত অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়ে আছি। যদি সঠিকভাবে ওযু করে বিনয় ও নম্রতা সহকারে এর সকল প্রকার প্রকাশ্য ও গোপনীয় সুন্নাত ও আদবের প্রতি লক্ষ্য রেখে নামায আদায় করি তবে আমাদের উপরও অবশ্যই নামাযের বরকত প্রকাশিত হবে। খুবই আফসোসের বিষয় হলো যে, আমাদের মধ্যে অনেকে তো প্রথম থেকেই নামায পড়ে না এবং যারা পড়ে তাদের মধ্যেও অনেকে নামাযের মৌলিক মাসআলা গুলো জানে না, যার কারণে নামাযে ভুল হওয়ার কারণে নিজের নামায নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, সুতরাং আমাদের উচিৎ যে, নিয়মিত নামায আদায়ের দৃঢ় নিয়্যত করার পাশাপাশি নামাযের সঠিক আদায়ের দিকেও ভরপুর মনোযোগ রাখা, যেন আমাদের নামায নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পায়, নিজের নামাযকে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami