Share this link via
Personality Websites!
করলো, এবারও یَارَبَّاہٗ یَا رَبَّاہٗ বলতে বলতে তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলো, অতঃপর তিনি یَا اللهُ یَا اللهُ বলা শুরু করল, এই পর্যন্ত যে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলো, এরপর یَا حَیُّ یَاحَیُّ বলে আল্লাহ পাককে আহবান করলো, অতঃপর یَا رَحِیْمُ یَارَحِیْمُ বলা শুরু বলা দিলো আর শেষে তিনি یَا اَرْحَمَ الرَّاحِمین বলে আল্লাহ পাককে আহবান করলো, এইভাবে তিনি সাতবার করলো, শেষে আল্লাহ পাকের নিকট যা মন চায় দোয়া করলো। আমি তার কাছেই লুকিয়ে এ সবকিছু দেখছিলাম।
এখনো ঐ নেককার বুযুর্গ ব্যক্তির দোয়া পূর্ণ হয়নি হঠাৎ অদৃশ্য থেকে আঙ্গুরের একটি থোকা ও ২টি নতুন চাদর প্রকাশ পেলো। এটা ঐ মৌসুম ছিলো যখন আঙ্গুর পাওয়া যেতো না, দোয়া পরিপূর্ণ হওয়ার পর ঐ নেককার বুযুর্গ আঙ্গুর খাওয়া শুরু করলো, এখন আমি ঐ নেককার বুযুর্গের কাছে গেলাম আর আরয করলাম: আপনি দোয়া করছিলেন আর আমি আমিন বলেছিলাম, সুতরাং আমাকে আঙ্গুরের মধ্যে অংশীদার করুন! ঐ নেককার বুযুর্গ বললেন: আমার কাছে এসো! খাও তবে কোন দানা বাঁচিয়ে রাখবে না। হযরত লাইছ বিন সা’দ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আমি আঙ্গুর খাওয়া শুরু করলাম, সেগুলো অত্যন্ত মজাদার ছিলো, আমি কখনো এরকম আঙ্গুর খাইনি আর আশ্চর্যের বিষয় এটা ছিলো যে আমি মনভরে আঙ্গুর খেয়ে নিয়েছি কিন্তু সেগুলোর মধ্যে একটি দানাও কম হলো না।
আঙ্গুর খাওয়ার পর ঐ নেককার বুযুর্গ নতুন চাদর দুইটির দিকে ইশারা করে বললেন: এই দুইটি থেকে যেটা চাও নিয়ে নাও! আমি বললাম: আমার চাদরের প্রয়োজন নেই। সুতরাং তিনি দুইটি চাদরই নিজের শরীরে জড়িয়ে নিলেন, পুরাতন চাদর যেটা নিচে বিছানো ছিলো, সেটা হাতে বেঁধে অপর প্রান্ত ছেড়ে দিলো, আমিও তাঁর পিছনে পিছনে যেতে লাগলাম। যখন আমরা সাফা মারওয়ার নিকটবর্তী পৌঁছলাম তখন এক গরীব লোক ডাক দিলো: হে প্রিয় নবী, হুযুর পূরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র শাহজাদা! আমার শরীর ঢেকে দিন!
ঐ নেককার বুযুর্গ হাতে বাঁধা চাদরটি ঐ গরীবকে দিয়ে দিলেন আর সামনে অগ্রসর হলেন। এখন আমি ঐ গরীব লোকটির পিছু নিলাম আর তাকে জিজ্ঞাসা করলাম:
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami