Share this link via
Personality Websites!
২. ইরশাদ হচ্ছে: “যে পরিপূর্ণ ভাবে ওযু করলো, অতঃপর ফরয নামাযের জন্য চললো এবং ইমামের সাথে নামায পড়লো, তার গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।” (শুয়াবুল ঈমান, ৩/৯, হাদীস নং-২৭২৭)
৩. ইরশাদ হচ্ছে: যখন বান্দা জামআত সহকারে নামায পড়ে অতঃপর আল্লাহ পাকের নিকট নিজের চাহিদা ভিক্ষা করে তবে আল্লাহ পাক এই বিষয়ে লজ্জাবোধ করেন যে, বান্দার চাহিদা পূরণ হওয়ার পূর্বে ফিরে যাবে। (হিলইয়াতুল আউলিয়া, মুসআর বিন কিদাম, ৭/২৯৯, হাদীস নং-১০৫৯১)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন যে, জামআত সহকারে নামায আদায়কারীর কিরূপ বরকত নসীব হয়, সুতরাং আমাদেরও পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামআত সহকারে মসজিদে আদায় করার অভ্যাস গড়তে হবে, আপনারা হয়তো দেখেছেন যে, অনেক সময় খুবই অপারগ এবং বৃদ্ধ বয়সের লোক জামআত সহকারে নামায আদায়ের জন্য খুবই কষ্ট করে হেঁটে মসজিদে আসে এবং যেভাবে তাদের সুবিধা হয় নামায পড়ে নেয় যদি তারা এতোই কষ্ট করার পরও জামআতে নামায পড়ার প্রতি প্রাধান্য দিতে পারে তবে আমাদের তো আরো বেশী জামআত সহকারে নামায আদায় করা উচিৎ। আজকে আমরা দুনিয়াবী বিষয়ে তো অপরের চেয়ে অগ্রগামী হওয়ার চেষ্টা করি যেমন কারো আলিশান বাংলো দেখলে তবে এর মতো বানানোর আকাঙ্ক্ষা করা, কাউকে উন্নত কাপড়ের সুন্দর পোশাক পড়া দেখলে এমনি পড়ার আকাঙ্ক্ষা করা, কারো নতুন চকচকে কার (গাড়ি) দেখি তো ঐ রকম কার (গাড়ি) নেয়ার আকাঙ্ক্ষা করা, কারো সফল ব্যবসা (Business) দেখি তো ধনী ও বড় লোক হওয়ার আকাঙ্ক্ষা বারবার প্রজ্বলিত হতে থাকে। মোটকথা! আমরা দুনিয়াবী ধন সম্পদের ভালবাসায় এমন লোভী হয়ে গেছি যে, দিনরাত ঐ সম্পদ অর্জনের জন্য চেষ্টায় থাকি, কখনো ক্লান্ত
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami