Share this link via
Personality Websites!
কাছ থেকে গোপন করি এবং নফল নামায গোপনে পড়ার অভ্যাস গড়ি। আসুন! আমি আপনাদেরকে এর ফযীলত বলছি।
আমীরে আহলে সুন্নাত, হযরত আল্লামা মাওলানা মুহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ“ফয়যানে নামায” এর ৮০ পৃষ্ঠায় লিখেন: প্রিয় নবীصَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি একাকিত্বে দুই রাকাত নামায এমনভাবে পড়লো যে, আল্লাহ পাক ও তাঁর ফেরেশতারা ব্যতীত কেউ দেখল না, তার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তি লিখে দেয়া হয়। (কানযুল উম্মাল, ৭ম অংশ, ৪/১২৫, ১৯০১৫) তা প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র আরো চারটি বাণী দ্বারা অনুধাবন করুন।
(১) মানুষের পক্ষে এমন জায়গায় নফল নামায পড়া, যেখানে লোকজন তাকে দেখবে না, তা মানুষের সামনে আদায়কৃত ২৫ (রাকাত) নামাযের সমান। (কানযুল উম্মাল, কিতাবুল আখলাক, ৩য় অংশ, ৩/১২, হাদীস: ৫২৬৩)
(২) গোপনে দানকৃত সদকা আল্লাহ পাকের গযবকে প্রশমিত করে।
(মু’জাম কবীর, ৮/২৬১, হাদীস: ৮০১৪)
(৩) গোপনে করা আমল প্রকাশ্য আমলের চেয়ে ৭০ গুণ বেশি উত্তম।
(ফেরদৌসুল আখবার, ৩/১২৯, হাদীস: ৪৩৪৮)
(৪) গোপনে করা আমল প্রকাশ্য আমলের চেয়ে উত্তম।
(ফেরদৌসু আখবার, ২/৩৪৭, হাদীস: ৩৫৭২)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! মনে রাখবেন! নিজের নেক আমল গোপন করার উদ্দেশ্য হলো নিজের নেক আমলকে নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচানো, কেননা নফস ও শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু নফস ও শয়তান মানুষকে নেকী করা থেকে বাধা দেয় আর যদি
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami