Share this link via
Personality Websites!
ভালো ধারণা রাখবেন, যেমন; হতে পারে যে, তার দৃষ্টিতে কোন নিয়ামতের প্রকাশ বা কোন নেক আমলের উৎসাহ প্রদানের ইচ্ছা রয়েছে। অতএব সেই ব্যক্তি নিজের নেকী প্রকাশে ভালো নিয়্যতের কারণে গুনাহগার হলো না। অবশ্য মুসলমানের প্রতি কু-ধারনাকারী হারাম কাজে লিপ্ত হয়ে গেলো। আল্লাহ পাক আমাদেরকে রিয়া, কু-ধারনা এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ রোগ থেকে আরোগ্য নসীব করুক।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নেকী গোপন করার উৎসাহ দেয়া হয়েছে আর গুনাহ গোপন করার আদেশ দেয়া হয়েছে। নেকী তো এই কারণে গোপন করা হয়, যাতে তা অহংকার ও রিয়া ইত্যাদির কারণে নষ্ট না হয়ে যায় আর গুনাহকে এই জন্যই গোপন করা হয় যে, তা প্রথম থেকেই আল্লাহ পাকের অসন্তুষ্টির কারণ হয়ে থাকে এবং তা প্রকাশ করা সাহস ও নির্ভীকতার পরিচায়ক, অতএব তা কখনোই প্রকাশ করবেন না। ফতোওয়ায়ে শামীতে রয়েছে: اِظْهَارُ الْمَعْصِيَةِ مَعْصِيَةٌ অর্থাৎ গুনাহ প্রকাশ করাও গুনাহ। (রদ্দুল মুহতার, কিতাবুস সালাত, ২/৬৫০)
হযরত আবু হুরাইরা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ রাসূলে পাকصَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে এরূপ ইরশাদ করতে শুনেছে: আমার সকল উম্মতকে ক্ষমা করে দেয়া হবে, তবে ঐসকল লোক ব্যতীত, যারা গুনাহ প্রকাশ করে এবং গুনাহ প্রকাশ করার অবস্থা এমন যে, কোন পুরুষ রাতে কোন (গুনাহের) কাজ করলো, অতঃপর সকাল হলে আল্লাহ পাক তা গোপন করে নিলো, কিন্তু সে বলে (অর্থাৎ অন্যকে বলে) যে, হে অমুক! আমি কাল রাতে এরূপ করেছি, অথচ সে এই অবস্থায় রাত অতিবাহিত করেছিলো যে, তার দয়ালূ প্রতিপালক তা গোপন রেখেছেন আর সকালে সে আল্লাহ পাকের রাখা পর্দাকে খুলে দিলো। (বুখারী, কিতাবুল আদব, ৪/১১৮, হাদীস: ৬০৬৯)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami