Share this link via
Personality Websites!
এবং যখন ডান হাতে দান করবে তখন যেনো বাম হাত না জানে আর যখন নামায পড়বে তখন নিজের দরজায় পর্দা দিয়ে দেয়। (ইহইয়াউল উলুম, ৩/৩৬১)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
হে আশিকানে রাসূল! আপনারা শুনলেন তো! যে সব নেকী গোপন করা যাবে, তা গোপন করা উচিৎ, কেননা গোপন আমল হলো উত্তম বরং প্রকাশ্য আমলের চেয়ে সত্তর (৭০) গুণ ফযীলতপূর্ণ। একাকি গোপনে নফল নামায পড়া মানুষের সামনে পড়ার চেয়ে উত্তম, একাকি গোপনে দুই রাকাত নফল আদায়কারীর জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তি লিখে দেয়া হয়। গোপন আমল আল্লাহ পাকের গযবকে প্রশমিত করে, অহংকার থেকে বাঁচায়, পদলোভীতা থেকে বাঁচায়, রিয়াকারীর ধ্বংসলীলা থেকে বাঁচায়, আল্লাহর আরশে ছায়ায় জায়গা দান করে এবং গুনাহ ক্ষমা করায়, এমনকি ফেরেশতাদের বড় দলের দোয়া এবং ফেরেশতাদের নিরাপত্তা অর্জন করার উপায় হয়।
তাবেয়ী বুযুর্গ হযরত কাবুল আহবার رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: যে ব্যক্তি একটি রাতও আল্লাহ পাকের এরূপ ইবাদত করলো যে, তাকে পরিচিত কেউ দেখলো না তখন সে গুনাহ থেকে এমনভাবে বের হয়ে গেলো, যেমনিভাবে তার রাত থেকে (দিনের দিকে) বের হয়ে যায়।
(হিলইয়াতুল আউলিয়া, কাআবুল আহবার, ৫/৪২০, নম্বর ৭৫৯০)
নিজের নেক আমলকে গোপন রাখার ফযীলত
আরো বলেন: যার এটা পছন্দ যে, ফেরেশতাদের একটি বড় দল তার জন্য মাগফিরাতের দোয়া করুক, তার হিফাযত করুক এবং দুঃখ থেকে অমুখাপেক্ষী হয়ে যাক তবে তার উচিৎ, যতোটুকু সম্ভব ঘরে গোপনে নামায পড়া। তার জন্য সুসংবাদ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami