Share this link via
Personality Websites!
416274
6583
১৫তম পারার সূরা বনী ইসরাঈলের ২৩ ও ২৪ নং আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
وَ قَضٰی رَبُّکَ اَلَّا تَعۡبُدُوۡۤا اِلَّاۤ اِیَّاہُ وَ بِالۡوَالِدَیۡنِ اِحۡسَانًا ؕ اِمَّا یَبۡلُغَنَّ عِنۡدَکَ الۡکِبَرَ اَحَدُھُمَاۤ اَوۡ کِلٰہُمَا فَلَا تَقُلۡ لَّہُمَاۤ اُفٍّ وَّ لَا تَنۡہَرۡھُمَا وَ قُلۡ لَّہُمَا قَوۡلًا کَرِیۡمًا (۲۳) وَ اخۡفِضۡ لَہُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحۡمَۃِ وَ قُلۡ رَّبِّ ارۡحَمۡہُمَا کَمَا رَبَّیٰنِیۡ صَغِیۡرًا (ؕ۲۴)
(পারা ১৫, সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত ২৩ ও ২৪)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: এবং আপনার রব নির্দেশ দিয়েছেন যেন (তোমরা) তিনি ব্যতীত অন্য কারো ইবাদত না করো এবং যেন পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করো। যদি তোমার সামনে তাদের মধ্যে একজন কিংবা উভয়ে বার্ধক্যে উপনীত হয়ে যায় তবে তাদেরকে ‘উফ্’ বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না আর তাদের সাথে সম্মানসূচক কথা বলবে। এবং তাদের জন্য নম্রতার বাহু বিছাও কোমল হৃদয়ে; আর আরয করো, ‘হে আমার রব! তুমি তাদের উভয়ের উপর দায় করো যেভাবে তারা উভয়ে আমাকে শৈশবে প্রতিপালন করেছেন’।
বর্ণনাকৃত আয়াতে মোবারাকার আলোকে হযরত আল্লামা মাওলানা মুহাম্মদ নঈমুদ্দীন মুরাদাবাদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: যখন পিতামাতার মাঝে বার্ধক্য উপনিত হয়, অঙ্গ প্রত্যঙ্গে শক্তি থাকে না এবং যেমনিভাবে তুমি শিশুকালে তার নিকট অক্ষম অবস্থায় ছিলে, তেমনই তারা শেষ বয়সে তোমার নিকট অক্ষম হয়ে পরে। তখন এমন কোন শব্দ মুখ দিয়ে উচ্চারণ করবে না, যা থেকে বুঝা যায় যে, তাদের পক্ষ থেকে তুমি মানসিকভাবে কিছু বিরক্তি বোধ করছো। তাদেরকে ধমকাবে না, উচ্চ আওয়াজেও কথা বলবে না বরং খুবই উত্তম আদব সহকারে পিতামাতার সাথে এভাবে কথাবার্তা বলবে, যেমন গোলাম তার মুনিবের সাথে বলে। তাদের সাথে নম্রতা ও বিনয় সহকারে আচরণ করো এবং তাদের সাথে ক্লান্তির সময় মমতা ও ভালবাসা সূচক ব্যবহার করো, কেননা তাঁরা তোমার অক্ষমতার সময় তোমাকে ভালবাসা ও স্নেহ দ্বারা লালিতপালিত করেছে আর যা কিছু তাঁদের প্রয়োজন হয় তা তাঁদের জন্য ব্যয় করতে কার্পণ্য করোনা। মোটকথা পৃথিবীতে উত্তম আচরণ ও সেবার মধ্যে যতই অতিশয়তা করা হোক না কেন; কিন্তু পিতামাতার অনুগ্রহের হক আদায় হবে না। তাই বান্দার উচিৎ যে, আল্লাহ পাকের দরবারে তাঁদের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami