Share this link via
Personality Websites!
হলো ইসলামের পূর্ব যুগ, সেই যুগে মহিলারা গর্ব সহকারে বের হতো এবং নিজের সাজ-সজ্জা এবং সৌন্দর্য্য প্রকাশ করতো যেনো পর পুরুষরা তাদের দেখে, এমন পোষাক পরিধান করতো, যাতে শরীরের অঙ্গ ভালভাবে ঢাকতো না এবং পরবর্তি জাহেলিয়্যত দ্বারা শেষ জামানা উদ্দেশ্য, যাতে লোকদের কর্ম পূর্ববর্তিদের ন্যায় হয়ে যাবে। (খাযিন, আল আহযাব, ৩৩নং আয়াতের পাদটিকা, ৩/৪৯৯। জালালাঈন, আল আহযাব, ৩৩নং আয়াতের পাদটিকা, ৩৫৪ পৃষ্ঠা)
মনে রাখবেন! যে ব্যক্তি দেহের পর্দাকে সম্পুর্ণরূপে অস্বীকার করবে আর বলবে: “শুধুমাত্র অন্তরের পর্দা যথেষ্ট” তার ঈমান চলে যাবে। আ’লা হযরত رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: “এই ধারণা করা যে, বাত্বিন (অর্থাৎ অন্তর) পরিষ্কার হওয়া উচিত, জাহির (বাহ্যিক) যেমনই হোক না কেন, এটা ভ্রান্ত ধারণা। হাদীসে পাকে বলা হয়েছে: “যদি তার অন্তর ঠিক থাকে তবে জাহির (বাহ্যিক) নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যায়।”
(ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ২২/৬০৫) (পর্দা সম্পর্কীত প্রশ্নোত্তর, ১৬১-১৬৩ পৃষ্ঠা)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! সাধারণত জীবনে মানুষকে তিনটি অবস্থার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে হয়। (১) শিশুকাল (২) যৌবনকাল এবং (৩) বৃদ্ধকাল। শিশুকালে মানুষের আগ্রহ খেলাধুলার দিকেই বেশী ধাবিত হয়, বৃদ্ধ বয়সে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুবই দূর্বল হয়ে যায়, রোগ বালাই এসে ভর করে, গুনাহের দিকে কম ধাবিত হয় এবং ইবাদতের দিকে আগ্রহ বেড়ে যায় আর যৌবনকাল সেই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থা, যখন মানুষের মনে নফসের চাহিদার প্রভাব বেশী হয়ে থাকে, কেননা জীবনের এই অংশে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ্য থাকে আর যৌবনের উন্মত্ততায় মত্ত হয়ে নিজের জীবনের লক্ষ্যকে ভুলে যায় এবং জীবনের এই মূল্যবান সময়কে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টিমুলক কাজে অতিবাহিত করার পরিবর্তে অশ্লীল কাজে নষ্ট করে দেয়। এই জন্য বিশেষ করে যুবকদের উচিত তারা নিজেকে নিজে অশ্লীলতার ধ্বংসলীলা থেকে বাচাঁনোর জন্য বুযুর্গানে দ্বীনের رَحِمَہُمُ اللهُ السَّلَام জীবনী গ্রহণ করে কারণ এই নেককার ব্যক্তিগণ কি সুন্দর এক আইডিয়াল স্বরূপ, যৌবনের মুল্যয়ন মুহুর্তগুলো অতিবাহিত করেছে, সম্পূর্ণ যৌবনেও লজ্জাশীলতা দৃঢ়ভাবে আকঁড়ে রাখতেন এবং এর প্রতিদান স্বরূপ আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে দান ও দয়ার উপযোগী সাব্যস্ত হয়।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami