Share this link via
Personality Websites!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! সদকা ও খয়রাত করার সময় এই বিষয়টির উপরও বিশেষভাবে খেয়াল রাখা উচিৎ যে, কাকে সদকা দেয়া যাবে আর কাকে দেয়া যাবেনা, দূর্ভাগ্যজনকভাবে আজকাল সমাজে হকদার এবং অভাবগ্রস্থদের খুঁজে পাওয়া দুস্কর হয়ে গেছে, কেননা এরূপ অনেক লোকও দেখা যায় যে, যারা একেবারে সুস্থ সবল, কিন্তু নিজেকে গরীব ও নিঃস্ব এবং অভাবগ্রস্থ বলে ভিক্ষার হাত প্রসারিত করতে এতটুকু লজ্জিত হয়না। সুতরাং এবিষয়ে অনেক সতর্কতার প্রয়োজন, যে আসলেই অভাবগ্রস্থ বা উপার্জনের ক্ষমতা নেই, এরূপ লোকদেরকেই দিতে হবে, পেশাদার ভিক্ষুককে কখনোই দিবেন না, নয়তো এমন যেনো না হয় যে, সাওয়াবের পরিবর্তে আমাদের আমলনামায় গুনাহ লিখে দেয়া হলো। যেমনটি আলা হযরত, ইমামে আহলে সুন্নাত, মাওলানা শাহ ইমাম আহমদ রযা খাঁন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর বর্ণনার সারমর্ম হলো: যার ভিক্ষা করা হালাল নয়, এরূপ ভিক্ষুকদের অবস্থা জেনে তাদের কিছু দেয়া কোন সাওয়াবের কাজ নয় বরং নাজায়িয ও গুনাহ এবং গুনাহের কাজে সাহায্য করা। (সংশোধিত ফতোয়ায়ে রযবীয়া থেকে সংক্ষেপিত, ১০/৩০৩)
নবীয়ে আকরাম, নূরে মুজাসসাম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি মানুষের নিকট ভিক্ষা করে, অথচ সে ক্ষুধার্ত নয়, অধিক সন্তানাদীও নেই যে, তাদের ভরণ পোষনের ক্ষমতা রাখেনা, তবে কিয়ামতের দিন এভাবে আসবে যে, তার মুখে মাংস থাকবে না।
(শুয়াবুল ঈমান লিল বায়হাকী, ৩/২৭৪, হাদীস নং-৩৫২৬)
অতএব যাকাত, দান-সদকা দেয়ার পূর্বে গভীরভাবে চিন্তা করা উচিত আর কতোই না ভালো হয় যে, গরীব মিসকিন, ইয়াতিম, বিধবা, অভাবী ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সাথে আমরা আমাদের সদকা ও দান-অনুদান নেক কাজ, মসজিদ - মাদরাসা সমূহের নির্মাণ ও উন্নয়ন মূলুক কাজে এবং দ্বীন ইসলামের উৎকর্ষতা ও ইলমে দ্বীনে প্রচার-প্রসারের খাতির ইলমে দ্বীন অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য দা’ওয়াতে ইসলামীকে দিয়ে নিজের পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করে নিই। মনে রাখবেন! সাধারণ অভাবগ্রস্থদের পরিবর্তে দ্বীনের জন্য নিজ বাড়ি ঘর ছেড়ে মাদরাসায় অবস্থান গ্রহণকারী অভাবগ্রস্থ ছাত্রদের অভাব পূরণ করা এবং তাদের আর্থিক সহায়তা করা বেশি উত্তম। সুতরাং মাকতাবাতুল মদীনার কিতাব “যিয়ায়ে সাদাকাত” এর ১৭২ পৃষ্ঠায় রয়েছে: ইমাম গাযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ উদ্ধৃত করেন
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami